আমার এত দামি ঘড়ি পোশাক একটি ও নিজের পয়সায় কেনা নয়’ সব উপহারের

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : 09. January. 2020 | Thursday

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

সচিবালয় প্রতিবেদক

‘আমার একটা ঘড়িও নিজের পয়সায় কেনা নয়’ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমার যত দামী পোশাক, এগুলো কেনা না। এগুলো উপহার হিসেবে পেয়েছি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, আমার অনেক কর্মী আছে যারা বিদেশে আছেন। তারা দেশে আসার সময় একটা স্যুট নিয়ে আসেন। এইতো গতকাল সিঙ্গাপুর থেকে আমার জন্য তিনটা কটি বানিয়ে নিয়ে আসছেন। এখন আপনি যদি নিয়ে এসে আমাকে গিফট করেন তাহলে আমি কি করবো?

সুইডেনভিত্তিক অনলাইন ‘নেত্র’ একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলেছে, ওবায়দুল কাদের হলফনামায় যে বার্ষিক আয়ের তথ্য দিয়েছেন তার সঙ্গে তিনি যে সাতটি দামি ঘড়ি ব্যবহার করেন তা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার (কাদের) একটি ঘড়ির সঙ্গে সাদৃশ্য আছে, রোলেক্স ডে ডেট প্রেসিডেন্ট ঘড়ির, যেটির দাম ২৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। আলজাজিরা নিউজ করেছে যে, বাংলাদেশে ওই অনলাইন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিষয়টি আজ আমি প্রথম শুনলাম। কিন্তু আমার যত ঘড়ি আছে একটাও নিজের পয়সা দিয়ে কেনা না। আপনি যদি আমাকে উপহার দেন তাহলে আমি কি করবো? আপনি বিদেশে গেলেন ভালোবেসে আমাকে একটি ঘড়ি দিলেন এটা আমি নিলাম।

কাদের বলেন, উপহারের সাথে সড়কের কোন সম্পর্ক নেই। আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো আমি কন্ট্রাক্টর থেকে বা তাদের এখানে বসতেও দেই না। আমার সাথে কোন কন্ট্রাক্টরের বৈঠকও হয় না। যেটা হতো অতীতে, এখন হয় না।

তিনি বলেন, আমার এখানে পদোন্নতির জন্য তদ্বির হয় না। পরবর্তী চিফ ইঞ্জিনিয়ার যে হবেন তার মাত্র ১০ দিন সময় আছে অবসরে যাওয়ার; তাকেও চিফ ইঞ্জিনিয়ার বানিয়েছি। সেখানে ১০ দিন পর নতুন লোক আসবে।

তিনি বলেন, আগেতো চিফ ইঞ্জিনিয়ার পদে যাওয়া মানে বিশাল ব্যাপার। এসবতো আপনারা শুনতেন এগুলো অজানা থাকতো না। আর কন্ট্রাক্টররা নির্বাচনের সময় টাকা দিতে চেয়েছিল। আমি সরাসরি না করে দিয়েছি। আমাকে নির্বাচনের জন্য টাকা প্রধানমন্ত্রী নিজে দিয়েছেন। আমার কারো থেকে টাকা নিতে হয়নি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৮১ বার




Archives