সম্রাট মালয়েশিয়ায় বাড়ি কিনেছেন।

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ০৮. অক্টোবর. ২০১৯ | মঙ্গলবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

প্রথম সময়  নিউজ:

 

 বাংলাদেশের এসময়ের সবচেয়ে আলোচিত নাম সম্রাট ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের মালয়েশিয়ায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ার আমপাং তেয়ারাকুন্ডতে তিনি এ ফ্ল্যাট কিনেছেন।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিআইএফইউ) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানেও এসব তথ্যের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

এ কারণে দুদক সম্রাটের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করতে যাচ্ছে।

দুদক সূত্র জানায়, ফ্ল্যাট ছাড়াও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকে সম্রাটের অ‌্যাকাউন্টে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্যও পাওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে পুলিশের ইমিগ্রেশন উইং, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউ রিপোর্ট, পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সেকেন্ড হোমের এজেন্ট, মালয়েশিয়ান হাইকমিশন অনুমোদিত বিভিন্ন ভিসা এজেন্ট থেকে পাওয়া তথ‌্য, পাসপোর্টের কপি, সেকেন্ড হোম প্রকল্পে অনুমোদনপ্রাপ্তদের অনুমোদনপত্রের কপি ও ব্যাংক হিসাব বিবরণী যাচাই-বাছাইয়ে সম্রাটের মালয়েশিয়ায় অর্থ পাচার ও ফ্ল্যাট থাকার তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে নিশ্চিত হয় কমিশন।

এর আগে ২০১৮ সালের শেষের দিকে সেকেন্ড হোম প্রকল্পে বিনিয়োগের নামে বাংলাদেশি বিভিন্ন নাগরিকের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান করে দুদক। তখনও অনুসন্ধানে সম্রাটসহ বেশকিছু ভিআইপি ব্যক্তির মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমে বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট তথ্য পায় প্রতিষ্ঠানটি।

কিন্তু তখন এ বিষয়ে নীরব ছিল দুদক। কিন্তু এখন সেই তালিকাধরে আবার অনুসন্ধান শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে সম্রাটের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমের নামে অর্থপাচারের মামলার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

দুদক সূত্র আরো জানায় সম্রাট ছাড়াও সেকেন্ড হোম বা দ্বিতীয় আবাস গড়তে মালয়েশিয়ায় বিনিয়োগ করেছেন, এমন ২৩ বাংলাদেশিকে চিহ্নিত করেছিল দুদক। বিনিয়োগ করা অর্থের উৎসসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে দুদক বেশ কয়েকবার মালয়েশিয়ায় মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলআর) পাঠিয়েও সঠিক জবাব পায়নি।

অনুসন্ধানকলে বিভিন্ন সংস্থার থেকে পাওয়া অন্তত ১৩ ধরনের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়।

অবৈধ ক্যাসিনোর মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অন্তত ২৫ জনের বিরুদ্ধে ৩০ সেপ্টেম্বর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্যাসিনো অভিযানের পর থেকে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর রোববার সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এর পরেই তাদের যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩১ বার




Archives