বাংলাদেশে উপজেলা নির্বাচনের কুকুর ভোটার হতে ইচ্চুক ভোটার নাই কি আর করা।

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ০২. এপ্রিল. ২০১৯ | মঙ্গলবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্কঃ

 

বাংলাদেশে নির্বাচনের একাধিক রুপ  পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চার ধাপের ভোট সম্পন্ন হয়েছে।  ভোটার না থাকায় কেন্দ্রতে  আ  হাজির দেশিও কুকুল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি জোট

তফসিল  ভোট

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, প্রথম চার ধাপে ৪৬৫ উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলেও ভোট হয়েছে ৪১৮টিতে। তিন পদেই একক প্রার্থী থাকায় ৩০টি উপজেলায় ভোটের প্রয়োজন পড়েনি। বাকি ১৭ উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে ১০টি আদালতের আদেশে এবং ৭টি ইসির আদেশে স্থগিত হয়েছে।

এক নজরে চার ধাপে গড় ভোট

পঞ্চম উপজেলা পরিষদের ভোটে প্রথম ধাপে ৪৩.৩২ শতাংশ; দ্বিতীয় ধাপে ৪১.২৫ শতাংশ; তৃতীয় ধাপে ৪১.৪১ শতাংশ ও চতুর্থ ধাপে ৩৬.৫০ শতাংশ ভোট পড়ে। সব মিলিয়ে গড়ে ভোট পড়েছে ৪০.৫০ শতাংশ।

২০১৪ সালে সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গড়ে ৬১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ২০০৯ সালে ভোটের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

ভোট কম পড়ার যে ব্যাখ্যা ইসির

ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হওয়া নিয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ রোববার সাংবাদিকদের বলেন, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে গেলে অনিয়ম বাড়তো। প্রকৃত কত লোক ভোটকেন্দ্রে আসে, সেটাই চেয়েছি।

অনেক রাজনৈতিক দল স্থানীয় এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আবার যারা অংশ নিয়েছে, তাদের স্বতস্ফূর্ততার কারণে ভোটের এ হার হয়েছে। এটা তাদের সমর্থকগোষ্ঠীর ভোট বলা যেতে পারে বলে জানান সচিব।

সচিব আরো বলেন, প্রতিটি ধাপে আমরা চেয়েছি ভোট যেন শান্তিপূর্ণ হয়। প্রাণহানি ও অনিয়ম যাতে না হয়। চার ধাপে একজনেরও প্রাণহানির ঘটনা হয়নি। এতে কমিশন সন্তুষ্ট।

ইভিএমের পর ভোটে ট্যাব

এবার তৃতীয় ধাপে চার ও চতুর্থ ধাপে ছয় উপজেলায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। তৃতীয় ধাপে ভোট প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয় ট্যাব। ১০ উপজেলায় ট্যাব ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থাকলেও তৃতীয় ধাপে সমস্যা হওয়ায় চতুর্থ ধাপে ট্যাব ব্যবহার করেনি কমিশন।

নৌকা  স্বতন্ত্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

এবারের উপজেলা ভোটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তাদের বিদ্রোহীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। এরমধ্যে নৌকার ২৮৮ জন ও স্বতন্ত্র ১৩১ জন জিতেছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির তিনজন ও জাতীয় পার্টি (জেপি)’র একজন জয়ী হন।

চতুর্থ ধাপে আওয়ামী লীগের ৭৩ প্রার্থী জিতেছেন। এরমধ্যে ৪৯ জন ভোটে ও ২৪ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে চেয়ারম্যান পদে একজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩২ জন ভোটে জিতেছেন চতুর্থ ধাপে।

তৃতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৮৩ জন (এর মধ্যে ভোটে জিতেছেন ৫২ জন, বাকিরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়), জাতীয় পার্টির একজন, স্বতন্ত্র ৩৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৭৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ২৩ জন। জাতীয় পার্টির ২ ও স্বতন্ত্র ৩৮ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৫৮ জন নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মনোনয়নে। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৬ জন। আর ২৩ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

বাকি থাকায় ৩০টির বেশি উপজেলায় ১৮ জুন পঞ্চম ধাপের ভোট হবে।

ভোটের আগের রাতে ব্যালটে সিল

ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপারে সিল মারার সত্যতা পেয়েছে ইসি। এ ঘটনার সাথে জড়িত কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং কটিয়াদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে কমিশন।

এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক

উপজেলা নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে।  স্পিকারকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েও ফল পায়নি কমিশন। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারসহ ২০ জনের বেশি সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে চিঠি দেয় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

সর্বোচ্চ  সর্বনিম্ন ভোট

এবার সর্বনিম্ন ভোট পড়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ উপজেলায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৯ জনের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৪ হাজার ৭০৪ জন।

অপরদিকে সর্বোচ্চ ৭৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায়। এ উপজেলায় ৩১ হাজার ৮৯৩ জনের মধ্যে ২৫ হাজার ৪০৯টি ভোট পড়েছে।

সন্তুষ্ট ইসি

উপজেলা পরিষদের চার ধাপের ভোটে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ইসি। ইসির মতে মূল লক্ষ্য ছিল সহিংসতা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। এতে কমিশন সফল বলে দাবি করেন ইসি সচিব।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৫ বার







Archives