পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফাইনালে টাইগার

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ১৪. মে. ২০১৯ | মঙ্গলবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

স্পোর্টস ডেস্ক:

 

 

ত্রিদেশীয় সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ২৪৮ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় উইন্ডিজ। ক্যারিবীয়ানদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। বল বাকি ছিল আরও ১৬টি। এই ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠলো টাইগাররা। তাও আবার সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট নিয়ে। ৯ পয়েন্ট নিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জেসন হোল্ডারের দলটি। মুখোমুখি দেখার আগের ম্যাচে ২৬১ রান করেও টাইগারদের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগামী ১৫ মে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে টাইগারদের বিপক্ষে নামবে ২ পয়েন্ট অর্জন করা স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড। ১৭ মে ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ।

২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকার দারুণ শুরু করেন। দলীয় ৫৪ রানের মাথায় অ্যাশলে নার্শের বল মিস করে বোল্ড হন তামিম। তার আগে এই বাঁহাতি ওপেনার ২৩ বলে চারটি চারের সাহায্যে করেন ২১ রান। ৫২ রানের জুটি গড়েন সাকিব-সৌম্য। দলীয় ১০৬ রানের মাথায় বিদায় নেন সাকিব। অ্যাশলে নার্শের বল এগিয়ে এসে খেলেছিলেন, ব্যাটে-বলে ঠিকভাবে না লাগলে ক্যাচ ওঠে শর্ট কাভারে। রোস্টন চেজের হাতে ধরা পড়ার আগে সাকিব ৩৫ বল তিনটি বাউন্ডারিতে করেন ২৯ রান।

স্কোরবোর্ডে মাত্র ১ রান যোগ হতেই বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার। এই ম্যাচেও সৌম্য খেলেছেন দুর্দান্ত গতিতে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটির দেখা পেয়েছেন। সাকিবের বিদায়ের পর একই ওভারে নার্শের বল খেলতে গিয়ে লেগসাইডে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। বিদায়ের আগে এই বাঁহাতি ওপেনার ৬৭ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কায় করেন ৫৪ রান। বাংলাদেশ দলীয় ১০৭ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায়। টপঅর্ডারের তিনটি উইকেটই নেন ১০ ওভারে ৫৩ রান খরচ করা অ্যাশলে নার্শ।

দলীয় ১৯০ রানের মাথায় বিদায় নেন দারুণ ব্যাট করা মোহাম্মদ মিঠুন। জেসন হোল্ডারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তিনি করেন ৪৩ রান। তার ৫৩ বলে সাজানো ইনিংসে দুটি করে চার ও ছয়ের মার ছিল। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে কেমার রোচের বল তুলে মারতে গিয়ে আউট হন মুশফিকুর রহিম। বিদায়ের আগে টাইগার এই রানমেশিন ৭৩ বলে ৫টি চার আর একটি ছক্কায় করেন ৬৩ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে যোগ করেন ৫০ রান। রিয়াদ ৩৪ বলে এক চার, এক ছক্কায় ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন। সাব্বির রহমান ০ রানে অপরাজিত থাকেন

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৩ বার







Archives