কে বা কারা মালিবাগে হাতবোমা বিস্ফোরণে নারী পুলিশসহ আহত ২

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ২৭. মে. ২০১৯ | সোমবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

প্রথম সময়  প্রতিবেদক:

 

 

 

 

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার  মালিবাগ মোড়ে বোমা বিস্ফোরণে এক নারী পুলিশ সদস্যসহ দু’জন আহত হয়েছে।  রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ট্রাফিক পুলিশের এএসআই রাশেদা আক্তার (২৮) এবং রিকশা চালক লাল মিয়া (৫০)। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ট্রাফিক সার্জেন্ট এনামুল হক হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, রাশেদা দায়িত্বরত ছিলেন। রাত ৯টার দিকে কে বা কারা হাতবোমা নিক্ষেপ করলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে পাশে থাকা একটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। বোমার আঘাতে রাশেদার বাঁ পায়ে ও লাল মিয়ার মাথায় জখম হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে রাত ১০টার দিকে সেখান থেকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।

আহত দু’জন। ছবি: সমকাল

বিস্ফারণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) চিফ মনিরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা।

ঘটনাস্থলে মনিরুল ইসলাম বলেন, এখানে প্রতিদিনই টহল গাড়ি অবস্থান করে। গাড়ি লক্ষ্য করে বিস্ফারণ ঘটানো হয়েছে, নাকি  এটি আগেই গাড়ির পাশে ছিল বা ছুড়ে মারা হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্ফারক বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।

কয়েকদিন আগে গুলিস্তানে পুলিশকে রক্ষ্য করে এমন হামলা হয়, এর সঙ্গে এটির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা- জানতে চাইলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ওই ঘটনার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

পুলিশই হামলাকারীদের লক্ষ্য ছিল কিনা প্রতিবেদকের  এমন প্রশ্নে সিটিটিসি চিফ বলেন, সাধারণত গাড়িটি এখানে থাকে। ঘটনার সময়ে গাড়িতে পুলিশের কেউ ছিল না। পাশে একজন নারী ট্রাফিক সদস্য ও একজন রিকশাচালক ছিলেন। ওই দু’জন আহত হন। কারা কেনো এই বিস্ফারণ ঘটিয়েছে তা পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখছে।

এদিকে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন। একজন বিস্ফারক বিশেষজ্ঞ সমকালকে বলেন, আলামত বিশ্লেষণের পর বোঝা যাবে এটি শক্তিশালী বোমা ছিল কিনা বা এ ধরনের বিস্ফারক কারা ব্যবহার করে থাকে

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০৮ বার




Archives