রবিবার , ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং , ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ




সবাইকে নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ২৯. ডিসেম্বর. ২০১৮ | শনিবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

রোহাগ সামী:

 

 

তিনি বলেছেন, ‘সবাই নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবেন। অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে আমরাও আশপাশেই থাকব। সাধ্যমতো চেষ্টা করব যেন কেউ অরাজকতা করতে না পারে। সেটিই আমাদের লক্ষ্য থাকবে।’

নির্বাচনের একদিন আগে শনিবার রাজধানীর আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে জেনারেল আজিজ আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে একথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর ৪৭ বছরে নির্বাচনে এমন শান্ত ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ দেখিনি।’

সেনাপ্রধান বলেন, ‘কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছি। বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় আমরা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা দেখেছি। এবার আমরা এ বিষয়ে খুবই সতর্ক রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে আমরা দেখেছি, নির্বাচনের অত্যন্ত চমৎকার ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সেনাপ্রধান হিসেবে বলছি, আমিও এই দেশের নাগরিক। গত এক সপ্তাহ সারা দেশ ঘুরে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, বিগত নির্বাচনগুলোতে কিছু না কিছু সহিংসতা হয়েছে। এবারও সহিংসতা হয়েছে, তবে সে সংখ্যা খুবই কম।’

জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘কোনো প্রকার হুমকি আছে কিনা সে জিনিসটা আমরা জানার চেষ্টা করেছি। সংখ্যালঘু এলাকায় সেনাবাহিনী গিয়ে আশ্বস্ত করছে, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং যার যার ভোট দিতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘এজন্য সেসব এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী টহল আজকেও যাচ্ছে, নির্বাচনের পরেও যাবে।’

সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে সেনাবাহিনীর ৫০ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আরও সেনাসদস্য নিয়োজিত করার জন্য স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে একটি টিম হিসেবে কাজ করব। কাউকে যেন কেউ ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সেজন্য আমরা কাজ করব। আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। জনগণের মধ্যে যাতে কোনো ভয়ভীতি কাজ না করে সেজন্য টহল ও নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেব। দিন শেষে আমরা সুন্দর ও সুষ্ঠু একটা নির্বাচন চাই।’

আজিজ আহমেদ বলেন, ‘আমি প্রত্যেক ডিভিশনে ও বিভিন্ন জেলায় গিয়েছি। প্রত্যেক জায়গায় আমার সঙ্গে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, এসপি, ডিসি, কোথাও কোথাও রিটার্নিং কর্মকর্তাও ছিলেন। এছাড়া বিজিবি-র‌্যাবসহ অন্য প্রতিনিধিরাও ছিলেন।’

সীমান্ত এলাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেসব এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছি, যাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া আমাদের দেশের সংখ্যালঘু ও নিরীহরা যাতে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে যেতে পারেন, সেজন্য সেনা সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় টহলে যাচ্ছে।

 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৬ বার







Archives

Translate »