চলে গেলেন বাঙালির আদি অকৃত্রিম ‘ফেলুদা’

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ১৫. নভেম্বর. ২০২০ | রবিবার

চলে গেলেন বাঙালির আদি অকৃত্রিম ‘ফেলুদা’

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

17Shares

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক

চলে গেলেন বাঙালির আদি অকৃত্রিম ‘ফেলুদা’ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। জীবনের ৮৫টি বসন্ত পেরিয়ে বাধ্য হলেন হার মানতে। ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ৬ অক্টোবর তাকে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্লাজমা থেরাপির পর তার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। সেইসঙ্গে চিকিৎসাতেও সাড়া দিতে থাকেন তিনি। কিন্তু আচমকাই আবার তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। চিকিৎসকরা জানান, সৌমিত্রের শরীরে সমস্যার প্রধান কারণ কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথি। তার চেতনার মাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।

বিজ্ঞাপন

আশা করা হয়েছিল প্লাজমাফেরেসিসের পর অভিনেতার আচ্ছন্নভাব ও অসংলগ্নতা অনেকটাই কেটে যাবে। কিন্তু শুক্রবার তার কিছুই হয়নি। বরঞ্চ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে। বেলভিউ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অরিন্দম কর জানান, এর আগে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চেতনাস্তর ৯ থেকে ১০-এর মধ্যে ছিল। তা পাঁচ পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল। এই স্তর তিনে পৌঁছে গেলে ব্রেন ডেথ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। শনিবার ডা. অরিন্দম কর জানালেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। রাত থেকে তার অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে। রবিবার সকালে তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে থাকে। কোনও ওষুধেই আর সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি। কমছিল রক্তচাপ এবং রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা। ভারতীয় সময় বেলা ১২ টা ১৫ মিনিট (বাংলাদেশ ১২টা ৪৫ মিনিট) নাগাদ মৃত্যু হয় তার। একাধারে অভিনেতা, আবৃত্তিকার এবং কবি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়’র জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি। তাদের আদি বাড়ি ছিল বাংলাদেশের শিলাইদহের কাছে কয়া গ্রামে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতামহের আমল থেকে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে থাকতে শুরু করেন।




Archives