কোম্পানীগঞ্জে র ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়ন কর্মকান্ড সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও জনগনের চাওয়া পাওয়া পূরনে মিজানুর রহমান বাদলের বিকল্প নেই

প্রথম সময়: ডেস্ক নিউজ | সংবাদ টি প্রকাশিত হয়েছে : ০৪. জানুয়ারি. ২০১৯ | শুক্রবার

এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ :

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন কেমন হবে এবং কে কে প্রার্থী হতে পারেন এ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। নির্বাচনের বাকী মাত্র মাস দুয়েক অথচ এখনই পুরো উপজেলায় শুরু হয়ে গেছে গবেষনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা। তবে সাধারণ মানুষ স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়ন কর্মকান্ড সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও জনগনের চাওয়া পাওয়া পূরনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মিজানুর রহমান বাদলের বিকল্প নেই।

একটি অসমর্থিত সূত্র জানিয়েছে, আগামী উপজেলা নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ও হিসাবনিকাশ শুরু হয়ে গেছে। কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, কে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য, কে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দল সুসংহত হবে, নেতাকর্মীরা চাঙ্গা থাকবে এসব নিয়ে। অনেকে আবার ব্যক্তিগতভাবেও প্রার্থী হওয়ার আকাঙ্খা প্রকাশ করছেন। বিষয়গুলো এখন খুবই গুরুত্ব বহন করছে। তবে যতজনই প্রার্থী হওয়ার আশা আকাঙ্খা প্রকাশ করুক না কেন, শেষ পর্যন্ত দলের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় এমপি ও আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং কোম্পানীগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রক বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার হাত ধরেই প্রার্থীতা দেয়া হবে এটি অনেকটা নিশ্চিত। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উপরও বিশেষ জোর দেয়া হতে পারে। বিশেষ করে এ উপজেলাটি ওবায়দুল কাদেরের নিজ উপজেলা হওয়ার কারনে প্রার্থীতার বিষয়টি অনেক গুরুত্ব বহন করছে।

একটি অনুসন্ধানে জানা যায়, দলের প্রার্থী প্রত্যাশি হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসলেও ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। তিনি দলের তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে আলাদা একটি অবস্থান তৈরী করে নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ট্রল হচ্ছে তাতেও তাঁর পক্ষেই ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে।

মিজানুর রহমান বাদলের কোম্পানীগঞ্জে রাজনীতি শুরু ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। এরপর সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগেরও সভাপতি হয়েছিলেন। অত:পর অসম্ভব জনপ্রিয় এ যুুবনেতা উপজেলার ৫নং চরফকিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও হন তরুন বয়সে। বর্তমানে তিনি জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে চলছেন সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দারুন দক্ষতা ও সফলতা দেখিয়ে জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

সদ্য গত হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওবায়দুল কাদেরের হয়ে ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চেয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি নৌকার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এ কঠোর পরিশ্রম দলের মাঝে একটি অবস্থান তৈরী হয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মীর মনের ভাষা বুঝতেও তিনি পারঙ্গম। তৃণমূল নেতাকর্মীদের পরিচালনায় তিনি সিদ্ধহস্ত। অনেক গুণে গুণান্বিত মিজানুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে এ মুহুর্তে শক্ত কোন প্রার্থী আবির্ভূত হতে পারেনি বলে অনেকে মনে করেন। যাদের নাম এখন পর্যন্ত শোনা যাচ্ছে তারা অনেকই মিজানুর রহমান বাদলের কর্ম ও দক্ষতার সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি বলেই ধারনা করা হচ্ছে । মিজানুর রহমান বাদলের কর্মগুনে তিনি আজ মানুষের ভালবাসায় সিদ্ধ হচ্ছেন। জনগনের চাওয়া পাওয়া পূরনের জন্য তার বিকল্প নেই বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯১ বার







Archives